BCS Bangla Lecture – 10

প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম, ণত্ব ও ষত্ব বিধান, নমুনা প্রশ্ন

প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম

১. তৎসম শব্দ

১.১. তৎসম শব্দের বানানের অপরিবর্তনীয়তা
এই নিয়মে বর্ণিত ব্যতিক্রম ছাড়া তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের নির্দিষ্ট বানান অপরিবর্তিত থাকবে।

১.২. ই ঈ বা উ ঊ

যেসব তৎসম শব্দে ই ঈ বা উ ঊ উভয় শুদ্ধ কেবল সেসব শব্দে ই বা উ এবং তার কার চিহ্ন (  ি  ু ) হবে।

যেমন: কিংবদন্তি, খঞ্জনি, চিৎকার, চুল্লি, তরণি, ধমনি, ধরণি, নাড়ি, পঞ্জি, পদবি, পল্লি, ভঙ্গি, মঞ্জরি, মসি, যুবতি, রচনাবলি, লহরি, শ্রেণি, সরণি, সূচিপত্র, উর্ণা, উষা।

১.৩. রেফ (র্ )
রেফের পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না।যেমন: অর্জ্জন, কর্ম্ম, কার্ত্তিক, কার্য্য, মূর্চ্ছা, সূর্য্য ইত্যাদির পরিবর্তে অর্জন, কর্ম, কার্তিক, কার্য, মূর্ছা, সূর্য ইত্যাদি হবে।

১.৪.   ং, ঙ 

সন্ধির ক্ষেত্রে ক খ গ ঘ পরে থাকলে পূর্ব পদের অন্তস্থিত ম্ স্থানে অনুস্বার (  ং ) হবে।

যেমন: অহম্ + কার = অহংকার,এভাবে ভয়ংকর, সংগীত, শুভংকর, হৃদয়ংগম, সংঘটন।

সন্ধিবদ্ধ না হলে ঙ স্থানে   ং হবে না।

যেমন: অঙ্ক, অঙ্গ, আকাক্সক্ষা, আতঙ্ক, কঙ্কাল, গঙ্গা, বঙ্কিম, বঙ্গ, লঙ্ঘন, শঙ্কা, শৃঙ্খলা, সঙ্গে, সঙ্গী।

১.৫. ইন-প্রত্যয়ান্ত শব্দ

সংস্কৃত ইন-প্রত্যয়ান্ত শব্দের দীর্ঘ ঈ-কারান্ত রূপ সমাসবদ্ধ হলে সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সেগুলোতে হ্রস্ব ই-কার হয়।

যেমন: গুণী – গুণিজন, প্রাণী – প্রাণিবিদ্যা, মন্ত্রী – মন্ত্রিপরিষদ।

তবে এগুলোর সমাসবদ্ধ রূপে ঈ-কারের ব্যবহারও চলতে পারে।

যেমন: প্রাণী – প্রাণীবিদ্যা, মন্ত্রী – মন্ত্রীপরিষদ, গুণী – গুণীজন।

ইন-প্রত্যয়ান্ত শব্দের সঙ্গে (ত্ব তা) প্রত্যয় যুক্ত হলে ই-কার হবে।

যেমন: কৃতী – কৃতিত্ব, মন্ত্রী – মন্ত্রিত্ব, দায়ী – দায়িত্ব, প্রতিযোগী – প্রতিযোগিতা, সহযোগী – সহযোগিতা।

১.৬. বিসর্গ (  ঃ )

শব্দের শেষে বিসর্গ (  ঃ ) থাকবে না।

যেমন: ইতস্তত, কার্যত, ক্রমশ, পুনঃপুন, প্রথমত, প্রধানত, প্রয়াত, প্রায়শ, ফলত, বস্তুত, মূলত।

এছাড়া নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে শব্দমধ্যস্থ বিসর্গ-বর্জিত রূপ গৃহীত হবে। যেমন: দুস্থ, নিস্তব্ধ, নিস্পৃহ, নিশ্বাস, বিশ্বাস, নিস্তেজ।

২. অতৎসম শব্দ

২.১. ই ঈ উ ঊ

সকল অতৎসম অর্থাৎ তদ্ভব, দেশি, বিদেশি, মিশ্র শব্দে কেবল ই উ এবং এদের-কার চিহ্ন (  ি  ু ) ব্যবহৃত হবে।

যেমন:আরবি, আসামি, ইংরেজি, ইমান, ইরানি, উনিশ, ওকালতি, কাহিনি, কুমির, কেরামতি, খুশি, খেয়ালি, গাড়ি, গোয়ালিনি,

চাচি, জমিদারি, জাপানি, জার্মানি, টুপি, তরকারি, দাড়ি, দাদি, দাবি, দিঘি, দিদি, নানি, নিচু, পশমি, পাখি, পাগলামি, পাগলি, পিসি,

ফরাসি, ফরিয়াদি, ফারসি, ফিরিঙ্গি, বর্ণালি, বাঁশি, বাঙালি, বাড়ি, বিবি, বুড়ি, বেআইনি, বেশি, বোমাবাজি, ভারি (অত্যন্ত অর্থে),

মামি, মালি, মাসি, মাস্টারি, রানি, রুপালি, রেশমি, শাড়ি, সরকারি, সোনালি, হাতি, হিজরি, হিন্দি, হেঁয়ালি। চুন, পুজো, পুব, মুলা,

মুলো।

পদশ্রিত নির্দেশক টি-তে ই-কার হবে।

যেমন: ছেলেটি, লোকটি, বইটি।

সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া-বিশেষণ ও যোজক পদরূপে কী শব্দটি ঈ-কার দিয়ে লেখা হবে।

যেমন: এটা কী বই? কী আনন্দ! কী আর বলব? কী করছ? কী করে যাব? কী খেলে? কী জানি? কী দুরাশা! তোমার কী! কী বুদ্ধি নিয়ে এসেছিলে! কী পড়ো? কী যে করি! কী বাংলা কী ইংরেজি উভয় ভাষায় তিনি পারদর্শী।

কীভাবে, কীরকম, কীরূপে, কীসের প্রভৃতি শব্দেও ঈ-কার হবে। যেসব প্রশ্নবাচক বাক্যের উত্তর হ্যাঁ বা না হবে, সেসব বাক্যে ব্যবহৃত ‘কি’ হ্রস্ব ই-কার দিয়ে লেখা হবে।

যেমন: তুমি কি যাবে? সে কি এসেছিল?

২.২. এ, অ্যা

বাংলায় এ বর্ণ বা -েকার দিয়ে এ এবং অ্যা এই উভয় ধ্বনি নির্দেশিত হয়।

যেমন: কেন, কেনো (ক্রয় করো), খেলা, খেলি, গেল, গেলে, গেছে, দেখা, দেখি, জেনো, যেন।

তবে কিছু তদ্ভব এবং বিশেষভাবে দেশি শব্দ রয়েছে যেগুলোর  ্য  া – কার যুক্ত রূপ বহুল পরিচিত।

যেমন: ব্যাঙ, ল্যাঙ, ল্যাঠা। এসব শব্দে (  ্য  া ) অপরিবর্তিত থাকবে।

বিদেশি শব্দে ক্ষেত্র অনুযায়ী অ্যা বা  ্য  া – কার ব্যবহৃত হবে।

যেমন: অ্যাকাউন্ট, অ্যান্ড (ধহফ), অ্যাসিড, ক্যাসেট, ব্যাংক, ভ্যাট, ম্যানেজার, হ্যাট।

২.৩. ও

বাংলা অ-ধ্বনির উচ্চারণ বহুক্ষেত্রে ও-এর মতো হয়। শব্দশেষের এসব অ-ধ্বনি ও-কার দিয়ে লেখা যেতে পারে।

যেমন:
কালো, খাটো, ছোটো, ভালো;

এগারো, বারো, তেরো, পনেরো, ষোলো, সতেরো, আঠারো;

করানো, খাওয়ানো, চড়ানো, চরানো, চালানো, দেখানো, নামানো, পাঠানো, বসানো, শেখানো, শোনানো, হাসানো, কুড়ানো, নিকানো, বাঁকানো, বাঁধানো, ঘোরালো, জোরালো, ধারালো, প্যাঁচানো;

করো, চড়ো, জেনো, ধরো, পড়ো, বলো, বসো, শেখো, করাতো, কেনো, দেবো, হতো, হবো, হলো;

মতো, কোনো;

ভবিষ্যত অনুজ্ঞায় শব্দের আদিতেও ও-কার লেখা যেতে পারে।

যেমন: কোরো, বোলো, বোসো।

২.৪.  ং, ঙ

শব্দের শেষে প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রে সাধারণভাবে অনুস্বার (  ং ) ব্যবহৃত হবে।

যেমন: গাং, ঢং, পালং, রং, রাং, সং।

তবে অনুস্বারের সঙ্গে স্বর যুক্ত হলে ঙ হবে।

যেমন: বাঙালি, ভাঙা, রঙিন, রঙের।

বাংলা ও বাংলাদেশ শব্দে অনুস্বার থাকবে।

২.৫. ক্ষ, খ
অতৎসম শব্দ খিদে, খুদ, খুদে, খুর (গবাদি পশুর পায়ের শেষ প্রান্ত), খেত, খ্যাপা ইত্যাদি লেখা হবে।

২.৬. জ, য

বাংলায় প্রচলিত বিদেশি শব্দ সাধারণভাবে বাংলা ভাষার ধ্বনিপদ্ধতি অনুযায়ী লিখতে হবে।

যেমন: কাগজ, জাদু, জাহাজ, জুলুম, জেব্রা, বাজার, হাজার।

ইসলাম ধর্ম-সংক্রান্ত কয়েকটি শব্দে বিকল্পে ‘য’ লেখা যেতে পারে।

যেমন: আযান, ওযু, কাযা, নামায, মুয়ায্যিন, যোহর, রমযান, হযরত। তবে হজ, মসজিদ, জুমুয়া ‘জ’ দিয়ে লিখতে হবে।

২.৭. মূর্ধন্য ণ, দন্ত্য ন

অতৎসম শব্দের বানানে‘ণ’ ব্যবহার করা হবে না।

যেমন: অঘ্রান, ইরান, কান, কোরান, গভর্নর, গুনতি, গোনা, ঝরনা, ধরন, পরান, রানি, সোনা, হর্ন।

তৎসম শব্দে ট ঠ ড ঢ এর পূর্বে যুক্ত নাসিক্যবর্ণ ‘ণ’ হয়।

যেমন: কণ্টক, লুণ্ঠন, প্রচণ্ড। কিন্তু অতৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ট ঠ ড ঢ এর আগে কেবল ‘ন’ হবে।

যেমন: লন্ঠন (সংস্কৃত), গুন্ডা (দেশি), ঝান্ডা, ঠান্ডা (হিন্দি) ডান্ডা (তদ্ভব)।

২.৮. শ, ষ, স

বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে ‘ষ’ ব্যবহারের প্রয়োজন নেই।

যেমন:
পোশাক, বেহেশ্ত, নাশতা, কিশমিশ, শরম, শয়তান, শহর, শরবত, শামিয়ানা, শখ, শৌখিন, শার্ট, আপস, জিনিস, মসলা, সন, সাদা, সাল (বৎসর), স্মার্ট, হিসাব;

স্টল, স্টাইল, স্টিমার, স্ট্রিট, স্টুডিয়ো, স্টেশন, স্টোর;

ইসলাম, তসলিম, মুসলমান, মুসলিম, সালাত, সালাম, এশা, শাওয়াল (হিজরি মাস), শাবান (হিজরি মাস)।

ইংরেজি ও ইংরেজির মাধ্যমে আগত বিদেশি s ধ্বনির জন্য স এবং sh, sion, ssion, tion প্রভৃতি বর্ণগুচ্ছ বা ধ্বনির জন্য শ ব্যবহৃত হবে।

যেমন: পাসপোর্ট, বাস, ক্যাশ, টেলিভিশন, মিশন, সেশন, রেশন, স্টেশন।

যেখানে বাংলায় বিদেশি শব্দের বানান পরিবর্তিত হয়ে স ছ-এর রূপ লাভ করেছে সেখানে ছ-এর ব্যবহার থাকবে।

যেমন: তছনছ, পছন্দ, মিছরি, মিছিল।

২.৯. বিদেশি শব্দ ও যুক্তবর্ণ

বাংলায় বিদেশি শব্দের আদিতে বর্ণ বিশ্লেষণ সম্ভব নয়। এগুলো যুক্তবর্ণ দিয়ে লিখতে হবে।

যেমন: স্টেশন, স্ট্রিট, স্প্রিং।

তবে অন্য ক্ষেত্রে বিশ্লেষণ করা যায়।

যেমন: মার্কস, শেকসপিয়র, ইসরাফিল।

২.১০. হস-চিহ্ন

হস-চিহ্ন যথাসম্ভব বর্জন করা হবে।

যেমন: কাত, মদ, চট, ফটফট, কলকল, ঝরঝর, তছনছ, জজ, টন, হুক, চেক, ডিশ, করলেন, বললেন, শখ, টাক, টক।

তবে যদি অর্থবিভ্রান্তি বা ভুল উচ্চারণের আশঙ্কা থাকে তাহলে হস-চিহ্ন ব্যবহার করা যেতে পারে।

যেমন: উহ্, যাহ্, বাহ্।

২.১১. ঊর্ধ্ব-কমা

ঊর্ধ্ব-কমা যথাসম্ভব বর্জন করা হবে।

যেমন: বলে (বলিয়া), হয়ে, দুজন, চাল (চাউল), আল (আইল)।

বিবিধ

৩.১. সমাসবদ্ধ শব্দ

সমাসবদ্ধ শব্দগুলো যথাসম্ভব একসঙ্গে লিখতে হবে।

যেমন: সংবাদপত্র, অনাস্বাদিতপূর্ব, পূর্বপরিচিত, রবিবার, মঙ্গলবার, স্বভাবগতভাবে, লক্ষ্যভ্রষ্ট, বারবার, বিষাদমণ্ডিত, সমস্যাপূর্ণ, অদৃষ্টপূর্ব, দৃঢ়সংকল্প, সংযতবাক, নেশাগ্রস্ত, পিতাপুত্র।

বিশেষ প্রয়োজনে সমাসবদ্ধ শব্দগুলোকে এক বা একাধিক হাইফেন (-) দিয়ে যুক্ত করা যায়।

যেমন: মা-মেয়ে, মা-ছেলে, বেটা-বেটি, বাপ-বেটা, জল-স্থল-আকাশ, কিছু-না-কিছু।

৩.২. বিশেষণ পদ

বিশেষণ পদ সাধারণভাবে পরবর্তী পদের সঙ্গে যুক্ত হবে না।

যেমন: সুনীল আকাশ, স্তব্ধ মধ্যাহ্ন, সুগন্ধ ফুল, লাল গোলাপ, ভালো দিন, সুন্দরী মেয়ে।

৩.৩. না-বাচক শব্দ

না-বাচক না এবং নি-এর প্রথমটি (না) স্বতন্ত্র পদ হিসেবে এবং দ্বিতীয়টি (নি) সমাসবদ্ধ হিসেবে ব্যবহৃত হবে।

যেমন: করি না, কিন্তু করিনি।

এছাড়া শব্দের পূর্বে না-বাচক উপসর্গ ‘না’ উত্তরপদের সঙ্গে যুক্ত থাকবে।

যেমন: নাবালক, নারাজ, নাহক।

অর্থ পরিস্ফুট করার জন্য কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুভূত হলে না-এর পর হাইফেন ব্যবহার করা যায়।

যেমন: না-গোনা পাখি, না-বলা বাণী, না-শোনা কথা।

৩.৪. অধিকন্তু অর্থে ‘ও’

অধিকন্তু অর্থে ব্যবহৃত ‘ও’ প্রত্যয় শব্দের সঙ্গে কার-চিহ্ন রূপে যুক্ত না হয়ে পূর্ণরূপে শব্দের পরে যুক্ত হবে।

যেমন: আজও, আমারও, কালও, তোমারও।

৩.৫. নিশ্চয়ার্থক ‘ই’

নিশ্চয়ার্থক ‘ই’ শব্দের সঙ্গে কার-চিহ্ন রূপে যুক্ত না হয়ে পূর্ণরূপে শব্দের পরে যুক্ত হবে।

যেমন: আজই, এখনই।

ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার নাম

৪.১. ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার নাম এই নিয়মের আওতাভুক্ত নয়।

ণত্ব ও ষত্ব বিধান

ণত্ব বিধান

ব্যবহারের নিয়ম:

১. ট-বর্গীয় ধ্বনির (ট ঠ ড ঢ) সাথে সবসময় মূর্ধন্য-ণ ব্যবহৃত হয়।

যেমন: ঘণ্টা, কণ্টক, নির্ঘণ্ট, বণ্টন, কণ্ঠ, লুণ্ঠন, উৎকণ্ঠা, অকুণ্ঠ, কাণ্ড, দণ্ড, মণ্ডল, পাণ্ডব ইত্যাদি।

২. ঋ (ঋ-কার), র (র-ফলা ও রেফ), ষ, ক্ষ এর পরে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহৃত হয়।

যেমন: ঋণ, তৃণ, মসৃণ, অরণ্য, ধারণ, পূরণ, প্রণীত, প্রণালি, যন্ত্রণা, বর্ণ, স্বর্ণ, পূর্ণিমা, ভীষণ, ভাষণ, অন্বেষণ,সহিষ্ণু, ক্ষণিক, ভক্ষণ, নিরীক্ষণ, দক্ষিণ ইত্যাদি। (ব্যতিক্রম: প্রনষ্ট, নির্নিমেষ, নিরন্ন, মৃন্ময়, অহর্নিশ)

৩. ঋ, র, ষ, ক্ষ এর পরে স্বরধ্বনি, য য় হ  ং এবং ক-বর্গীয় (ক খ গ ঘ ঙ) ও প-বর্গীয় (প ফ ব ভ ম) ধ্বনি থাকলে তার পরে মূর্ধন্য-ণ হয়।

যেমন: কৃপণ, গৃহায়ণ, গৃহিণী, হরিণ, পরায়ণ, অপরাহ্ণ, রুক্মিণী, রামায়ণ, অর্পণ, পূর্বাহ্ণ,নির্বাণ, ব্রাহ্মণ, প্রাঙ্গণ, শ্রবণ, ভ্রমণ, বক্ষ্যমাণ,  ক্ষুণ্ন, লক্ষ্মণ, পরিবহণ ইত্যাদি। (ব্যতিক্রম: আয়ুষ্মান, গরীয়ান, চক্ষুষ্মান, নির্গমন, পূষন, বহির্গমন, বর্ষীয়ান, রঙ্গন, শ্রীমান, পরিনষ্ট, হরিনাম, রূপবান, নিষ্পন্ন, পরান্ন)

৪. কতগুলো শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ হয়। এগুলো স্বতঃসিদ্ধ অর্থাৎ কোনো নিয়মের অন্তর্ভূক্ত নয়। যেমন:

চাণক্য মাণিক্য গণ             বাণিজ্য লবণ মণ

বেণু বীণা কঙ্কণ কণিকা।

কল্যাণ শোণিত মণি           স্থাণু গুণ পুণ্য বেণী

ফণি অণু বিপণী গণিকা।

আপণ লাবণ্য বাণী              নিপুণ ভণিতা পাণি

গৌণ কোণ ভাণ পণ শাণ।

চিক্কণ নিক্বণ তূণ                কফোণি বণিক গুণ

গণনা পিণাক পণ্য বাণ।
কণা কিণাঙ্ক ঘুণ উৎকুণ
শণশোণ ফণামৎকুণ।

৫. যে সব শব্দে ণত্ব বিধান হয় না অর্থাৎ দন্ত্য-ন ব্যবহৃত হয়।

ক) ত-বর্গীয় ধ্বনির (ত থ দ ধ) সাথে।

যেমন: অন্ত, প্রান্ত, গ্রন্থ, পন্থা, ক্রন্দন, ছন্দ, বন্ধন, অন্ধ ইত্যাদি।

খ) বাংলা ক্রিয়াপদে।

যেমন: করেন, যান, খান, মরেন, ধরেন, করুন, মারেন ইত্যাদি।

গ) সমাসসাধিত শব্দে।

যেমন: ত্রিনয়ন, দুর্নীতি, দুর্নাম, দুর্নিবার, পরনিন্দা, সর্বনাম, নির্গমন, অগ্রনায়ক, অগ্রনেতা, ছাত্রনিবাস ইত্যাদি।

ঘ) অর্ধতৎসম, তদ্ভব (প্রাকৃতজ), দেশি ও বিদেশি শব্দে।

যেমন: অঘ্রান, বামুন, কিষান, নেমন্তন্ন, গভর্নর, জবানবন্দি, কুপন, নমুনা, গিন্নী, সোনা, কান, নুন, হর্ন, কুরআন, কেরানি, গ্রিন, কুর্নিশ, পরান, ঘেন্না, যাতনা, কানন, আয়রন, কর্নেল ইত্যাদি।

ঙ) শব্দের শুরুতে (ণত্ব ও ণিজন্ত বাদে)।

যেমন: নয়ন, নাক, নায়ক, নুন ইত্যাদি।

চ) ণ-বর্ণের পরে ‘ন’ দিয়ে গঠিত শব্দে।

যেমন: বর্ণনা, গণনা, পাণিনি ইত্যাদি।

ষত্ব বিধান

ব্যবহারের নিয়ম:

১. ট, ঠ বর্ণদ্বয়ের সাথে মূর্ধন্য-ষ হয়।

যেমন: কষ্ট, স্পষ্ট, ওষ্ঠ, কাষ্ঠ, সৃষ্টি, বৃষ্টি, কৃষ্টি, যথেষ্ট, প্রচেষ্টা, জৈষ্ঠ্য, কনিষ্ঠ, লঘিষ্ঠ ইত্যাদি।

২. ঋ (ঋ-কার), র (র-ফলা ও রেফ) এর পরে মূর্ধন্য-ষ হয়।

যেমন: ঋষি, কৃষক, কৃষি, তৃষ্ণা, বর্ষা, বার্ষিক, হর্ষ, মহাকর্ষ, আকর্ষণ, মুমূর্ষু, শীর্ষক, চিকীর্ষা ইত্যাদি।(ব্যতিক্রম: কৃশ, কৃশকায়, কৃশাঙ্গ, দৃশ্য)

৩. অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনির (ই ঈ উ ঊ ঋ এ ঐ ও ঔ) পরে মূর্ধন্য-ষ হয়।

যেমন: ভবিষ্যৎ, চক্ষুষ্মান, জ্যোতিষ্ক, বিষ, আবিষ্কার, চতুষ্পদ, আয়ুষ্কাল, জিগীষা, বৈষয়িক, দূষণ ইত্যাদি। (ব্যতিক্রম: দিশা, দেশ, বিশ, বিস)

৪. ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো শব্দে মূর্ধন্য-ষ হয়।

যেমন: অভিষেক, সুষুপ্ত, প্রতিষ্ঠান, বিষম, সুষমা, অনুষঙ্গ, নিষ্পাপ, বিনষ্ট, পরিষদ, পরিষ্কার, অনুষ্ঠান ইত্যাদি। (ব্যতিক্রম: বিসংবাদ, বিসদৃশ)

৫. পুরুষবাচক সম্ভাষণসূচক শব্দে এ-কারের পর মূর্ধন্য-ষ হয়।

যেমন: কল্যাণীয়েষু, সুজনেষু, শ্রদ্ধাস্পদেষু, বন্ধুবরেষু, স্নেহাস্পদেষু, প্রিয়বরেষু ইত্যাদি।

স্ত্রীবাচক সম্ভাষণসূচক শব্দে আ-কারের পর দন্ত্য-স হয়।

যেমন: কল্যাণীয়াসু, সুপ্রিয়াসু, সুজনীয়াসু, প্রিয়বরাসু, স্নেহাস্পদাসু, শ্রদ্ধাষ্পদাসু ইত্যাদি।

৬. কতগুলো শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য-ষ হয়। এগুলো স্বতঃসিদ্ধ অর্থাৎ কোনো নিয়মের অন্তর্ভূক্ত নয়। যেমন:

আষাঢ় ঈষৎ উষ্ণ উষা কোষ
ওষধি কর্ষণ ঘর্ষণ তুষার রোষ।

পুরুষ পরুষ পুষ্প প্রত্যুষ পাষাণ
পৌষ বিষ ভূষণ ভাষ্যশোষণ।

বিশেষ্য বিশেষণ মহিষ বৃষ মেষ
বিষাণ মূষিক ভাষণ ষণ্ড শেষ।

ভাষা মাষা তোষণ কলুষ আভাষ
ষট সরিষা ষড় দ্বেষ অভিলাষ।

হ্রেষা ষোড়শ ঊষর নিকষ দোষ
বাষ্প পোষণ পোষ্য ও প্রদোষ।

৭. যে সকল শব্দে ষ-ত্ব বিধান হয় না অর্থাৎ দন্ত্য-স ও তালব্য-শ ব্যবহৃত হয়।

ক) বিদেশি ভাষা থেকে আগত সকল শব্দে।

যেমন: পোশাক, পোস্ট, মাস্টার, স্টোর, জিনিস, ফটোস্ট্যাট, মুশকিল, মজলিস, চশমা, খোশ, রসিদ, স্টুডিও, রেস্টুরেন্ট, স্টাফ, স্টেশন, শহিদ, সালাম, শরবত ইত্যাদি।

খ) সংস্কৃত ‘সাৎ’ প্রত্যয়যুক্ত শব্দে।

যেমন: অগ্নিসাৎ, ধূলিসাৎ, ভূমিসাৎ ইত্যাদি।

গ) বিসর্গ সন্ধিতে অ, আ-ধ্বনির পরে।

যেমন: পুরস্কার, নমস্কার, ভাস্কর, বৃহস্পতি, তস্কর, মনস্কামনা, আস্পদ, অসম ইত্যাদি।

নমুনা প্রশ্ন

১. কোন বানানটি শুদ্ধ নয়?

ক) নীহারিকা

খ) নিরীক্ষণ

গ) রূপালী

ঘ) চিক্কণ

উত্তরঃ গ

২. কোন শব্দটির বানান ভুল?

ক) প্রাণিজগত

খ) প্রতিযোগিতা

গ) লণ্ঠন

ঘ) স্টেশন

উত্তরঃ গ

৩. কোনটি শুদ্ধ?

ক) দৌরাত্ম

খ) দৌরাত্ব্য

গ) দৌরাত্ব্য

ঘ) দৌরাত্ম্য

উত্তরঃ ঘ

৪. কোন বানানটি শুদ্ধ?

ক) শুণ্য

খ) পুণ্য

গ) গূণ্য

ঘ) মাণ্য

উত্তরঃ খ

৫. অশুদ্ধ বানান কোনটি?

ক) মূর্ধন্য

খ) ব্যাকরণ

গ) নিষুতি

ঘ) পাষান

উত্তরঃ ঘ

৬. শুদ্ধ বানান নির্দেশ কর?

ক) মুহুর্মুহু

খ) মুহুর্মুহ

গ) মুহূর্মুহূ

ঘ) মুহর্মুহু

উত্তরঃ ক

৭. শুদ্ধ বানানের শব্দগুচ্ছ –

ক) সমীচিন, হরিতকী, বাল্মিকি

খ) সমীচীন, হরীতকী, বাল্মীকি

গ) সমিচীন, হরিতকি, বাল্মিকী

ঘ) সমীচীন, হরিতকী, বাল্মীকি

উত্তরঃ খ

৮. অশুদ্ধ বানান কোনটি?

ক) মুমূর্ষু

খ) শশিভূষণ

গ) সৌজন্য

ঘ) নৈঋত

উত্তরঃ ঘ

৯. শুদ্ধ বানান কোনটি?

ক) আকাঙ্খা

খ) শিরচ্ছেদ

গ) ভৌগোলিক

ঘ) দুরাবস্থা

উত্তরঃ গ

১০. অশুদ্ধ বানান নির্ণয় কর?

ক) শ্রদ্ধাঞ্জলি

খ) অভ্যন্তরীণ

গ) আবিস্কার

ঘ) শাশ্বত

উত্তরঃ গ

১১. কোন বানানটি শুদ্ধ নয়?

ক) পুরস্কার

খ) অভিসেক

গ) বিষম

ঘ) সুষম

উত্তরঃ খ

১২. কোন বানানটি অশুদ্ধ নয়?

ক) পূর্বাহ্ন

খ) পোষাক

গ) ধূলিসাৎ

ঘ) রেস্টুরেণ্ট

উত্তরঃ গ

১৩. নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?

ক. শষ্য

খ. সষ্য

গ. শশ্য

ঘ. শস্য

উত্তরঃ ঘ

১৪. কোন বানানটি অশুদ্ধ?

ক. ভূত

খ. কিম্ভূত

গ. অদ্ভূত

ঘ. প্রভূত

উত্তরঃ গ

১৫. শুদ্ধ বানান কোনটি?

ক. গড্ডালিকা

খ. গড্ডলিকা

গ. গড্ডলীকা

ঘ. গড্ডালীকা

উত্তরঃ খ

১৬. কোন বানানটি সঠিক?

ক. অনুনয়

খ. অনুণয়

গ. অণুনয়

ঘ. অনূনয়

উত্তরঃ ক

১৭. কোনটি শুদ্ধ বানান?

ক. কথপোকথন

খ. কথোপকথন

গ. কোথপোকথন

ঘ. কথপকোথন

উত্তরঃ খ

১৮. ‘তারল্যতা’ শব্দটি অশুদ্ধ কেন?

ক. প্রত্যয়জনিত কারণে

খ. উপসর্গজনিত কারণে

গ. সন্ধিজনিত কারণে

ঘ. কারকজনিত কারণে

উত্তরঃ ক

১৯. কোনটি শুদ্ধ বানান?

ক. ইতিমধ্যে

খ. ইতঃমধ্যে

গ. ইতোমধ্যে

ঘ. ইতিপূর্বে

উত্তরঃ গ

২০. কোনটি শুদ্ধ শব্দ?

ক. স্বশুর

খ. শ্বসুর

গ. শশুর

ঘ. শ্বশুর

উত্তরঃ ঘ

২১. কোন বানানটি শুদ্ধ?

ক. প্রসংশা

খ. আষাড়

গ. ব্যঘাত

ঘ. বর্ণনা

উত্তরঃ ঘ

২২. নিচের কোন শব্দটির বানান ভুল?

ক. কর্ণেল

খ. প্রাণিজগত

গ. স্টেশন

ঘ. প্রতিযোগিতা

উত্তরঃ ক

২৩. কোন বানানটি সঠিক?

ক. ক্ষীণজীবী

খ. ক্ষীণজিবী

গ. ক্ষীনজীবি

ঘ. ক্ষীণজীবি

উত্তরঃ ক

২৪. কোনটি সঠিক বানান?

ক. নিশিথিনী

খ. নীশিথিনী

গ. নিশীথিনী

ঘ. নিশিথিনি

উত্তরঃ গ

২৫. সঠিক বানান – 

ক. দুর্ভিক্ষ

খ. দূর্ভিক্ষ

গ. দুর্ভিক্ষ্য

ঘ. দূর্ভিক্ষ্য

উত্তরঃ ক

২৬. কোন বানানটি শুদ্ধ?

ক. বিভিষিকা

খ. বিভীষিকা

গ. বীভিষিকা

ঘ. বীভিষীকা

উত্তরঃ খ

২৭. কোন বানানটি সঠিক?

ক. নিরিক্ষণ

খ. নীরিক্ষন

গ. নীরীক্ষন

ঘ. নিরীক্ষণ

উত্তরঃ ঘ

২৮. অশুদ্ধ শব্দ-

ক. দূরন্ত

খ. বসন্ত

গ. ডুবন্ত

ঘ. অনন্ত

উত্তরঃ ক

২৯. নির্ভুল বানান-

ক. স্বায়ত্ব

খ. স্বয়ত্ব

গ. স্বায়ত্ত

ঘ. স্বসত্ব

উত্তরঃ গ

৩০. শুদ্ধ বানান-

ক. ব্যধি

খ. ব্যাক্তি

গ. ব্যার্থ

ঘ. ব্যভিচার

উত্তরঃ ঘ

৩১. কোনটি শুদ্ধ?

ক) কৃতি

খ) কিট

গ) রথী

ঘ) সুধি

উত্তরঃ গ

৩২. কোন বানানটি শুদ্ধ?

ক) ভূল

খ) ভূক্ত

গ) ভূবন

ঘ) দূর্বা

উত্তরঃ ঘ

৩৩. কোন শব্দে ণত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়?

ক) সন্ধিসাধিত

খ) প্রত্যয়সাধিত

গ) উপসর্গসাধিত

ঘ) সমাসসাধিত

উত্তরঃ ঘ

৩৪. কোন শব্দে স্বভাবত মূর্ধন্য-ণ হয়েছে?

ক) কারণ

খ) ভীষণ

গ) বণিক

ঘ) ক্ষণিক

উত্তরঃ গ

৩৫. কোন বানানটি শুদ্ধ?

ক) উচ্ছাস

খ) উচ্ছ্বাস

গ) উচ্ছ্বাষ

ঘ) উচ্চাস

উত্তরঃ খ

৩৬. অশুদ্ধ বানান কোনগুলো – 

ক) অদ্ভ‚ত, দ্বারস্ত, প্রহসণ

খ) আহ্নিক, দরুন, ইতস্তত

গ) দারিদ্র্য, আশিস, উদীচী

ঘ) কৃতী, ক্ষুণ্ন, নৈর্ব্যক্তিক

উত্তরঃ ক

৩৭. কোনটিতে স্বভাবত মূর্ধন্য-ষ হয়েছে – 

ক) বিষম

খ) সুষমা

গ) তোষণ

ঘ) নষ্ট

উত্তরঃ গ

৩৮. কোনটি সমসূত্রের নয়?

ক) ঋষি

খ) সুষমা

গ) কৃষক

ঘ) বর্ষণ

উত্তরঃ খ

৩৯. কোন বানানটি শুদ্ধ?

ক) পিপিলিকা

খ) পিপীলিকা

গ) পিপিলীকা

ঘ) পীপিলিকা

উত্তরঃ খ

৪০. ণ-ত্ব বিধান কোন ধরনের শব্দে প্রযোজ্য?

ক. তৎসম

খ. দেশি

গ. বিদেশি

ঘ. তদ্ভব

উত্তরঃ ক

তথ্যসূত্র:

১. রফিকুল ইসলাম, পবিত্র সরকার ও মাহবুবুল হক, প্রমিত বাংলা ব্যবহারিক ব্যাকরণ (বাংলা একাডেমি, জানুয়ারি ২০১৪)
২. রফিকুল ইসলাম ও পবিত্র সরকার, প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, প্রথম খণ্ড (বাংলা একাডেমি, ডিসেম্বর ২০১১)
৩. মুনীর চৌধুরী ও মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (ফেব্রুয়ারি ১৯৮৩)
৪. নির্মল দাশ, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও তার ক্রমবিকাশ (বিশ্বভারতী ২০০০)
৫. কাজী দীন মুহম্মদ ও সুকুমার সেন, অভিনব ব্যাকরণ (ঢাকা ১৯৪৮)
৬. মুহম্মদ আবদুল হাই, ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব (১৯৬৪)
৭. ড. হায়াৎ মামুদ, ভাষাশিক্ষা : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০০৪)
৮. ড. মো. মুস্তাফিজুর রহমান, ভাষাবিধি : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও প্রবন্ধ রচনা (আদিল ব্রাদার্স, জানুয়ারি ২০০৯)
৯. ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (অগ্নি পাবলিকেশন্স, এপ্রিল ২০০৪)
১০. ড. মুহম্মদ এনামুল হক ও শিবপ্রসন্ন লাহিড়ী, ব্যবহারিক বাংলা অভিধান (বাংলা একাডেমি, স্বরবর্ণ অংশ: ডিসেম্বর ১৯৭৪ ও ব্যঞ্জনবর্ণ অংশ: জুন ১৯৮৪)
১১. জামিল চৌধুরী, বাংলা বানান অভিধান (বাংলা একাডেমি, জুন ১৯৯৪)
১২. মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, শুদ্ধিকরণ (প্রফেসর’স প্রকাশন, ২০০৬)
১৩. স্বরোচিষ সরকার, বাংলাদেশের কোষগ্রন্থ ও শব্দসন্ধান (বাংলা একাডেমি, মে ২০১০)
১৪. জামিল চৌধুরী, বাংলা বানান অভিধান (বাংলা একাডেমি, জুন ১৯৯৪)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *